বিদেশ ভ্রমণ অবস্থায় কোন বিষয়কটিতে বেশি সাবধান হতে হবে :

বিদেশ ভ্রমণ অবস্থায় কোন বিষয়কটিতে বেশি সাবধান হতে হবে :

 

বিদেশ ভ্রমণে মানুষের আগ্রহ বরাবরই দুর্দান্ত। নিজের দেশের সৌন্দর্য তো বটেই, মানুষ দেশের সীমানা পেরিয়ে দেখতে চায় অন্য দেশের রীতিনীতি, সংস্কৃতি। তবে সব সময় চাওয়া ও পাওয়া এক সাথে মেলে না। তারপরে ও নিজেকে বা নিজের মনকে বিশ্বের সাথে পরিচয় করানোর জন্য বিশ্বের পথে হাটতে হবে। এই গ্রুপে অনেকে আছেন যারা প্রায়ই সলো ট্রাভেলিং করে থাকেন। সবাই ভাল মন্দ মিলিয়ে হাজার রকমের অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ। তারা ট্রাভেলিং এ গিয়ে বিশেষ করে সলো ট্রাভেলিংয়ে কোন বিপদে পড়লে যেমন কারো যদি পাসপোর্ট বা টাকা পয়সা ছিনতাই হয়ে যাই তখন তার করণীয় কি বা কেউ দেশের বাইরে ট্রাভেলিং এ গিয়ে সধারনত কি কি সমস্যায় পরতে পারে?

#বিদেশে ভ্রমণ অবস্থায় বিপদে প্রথম যেটা বেশি প্রয়োজন তা হল – #পাসপোর্ট পাসপোর্ট হারানো যাবে না।হারালে নিকটস্থ থানায় জিডি করতে হবে ও বাংলাদেশ এ্যাম্ব্যেসিতে জানাতে হবে; পারলে টেম্পরারী পাসপোর্ট বানাতে হবে। আর ঐ দেশের ইমিগ্রেশন থেকে নতুন করে ভিসা বা এক্সিট বা পূর্বের ভিসা কপির কপি করে নিতে হবে। পাসপোর্ট ও ভিসা কপি প্রয়োজনে ইমেলে সংরক্ষণ করে রাখতে হবে। আর পাসপোর্ট ও ভিসার কয়েকটা কপি করে সাথে রাখা যেতে পারে।

#২য় হল মোবাইল; – মোবাইল মোবাইল হারানো যাবে না। এটা যোগাযোগের জন্য জরুরী। মোবাইল বা টাকা পয়সা হারালে প্রথমে কাস্টমার কেয়ার জাতীয় কিছুর সাহায্য নেয়া যেতে পারে বা কোথাও কোন ইনফরমেশন ডেস্ক এর সহয়তা নেয়া। প্রয্যোজ্য ক্ষেত্রে টাকা বা মোবাইল হারালে পুলিশকে জানাতে হবে। আর #টাকা অতি গুরুত্বপূর্ণ। সেক্ষেত্রে ক্রেডিট কার্ড থাকাটা ভাল। অর্থাৎ বিকল্প ব্যবস্থা রাখতে হবে। অনেক সময় অনেক ব্যাংক বিদেশে ভ্রমণরত ক্লায়েন্টের কার্ড খুব অল্প কদিনেই নতুন করে ইস্যু করে বিদেশের ঠিকানায় পাঠিয়ে দিতে পারে। আর টাকা হারালে দেশে বা বন্ধু বান্দব আত্মীয়ের মাধ্যমে ফোনে যোগাযোগ করে টাকা সংগ্রহ বা ব্যাংক/অনলাইন ট্রান্সফার করা যেতে পারে।

#আরেকটি হল ফ্লাইট মিস।  যেক্ষেত্রেও অনলাইনের মাধ্যমে দেশে বা বিদেশে থাকা অবস্থায় নতুন ফ্লাইট ইস্যু বা এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে সেইম ফ্লাইটের এর শর্ত সাপেক্ষ্যে অন্য ফ্লাইট নেয়া যেতে পারে।

Updated to…….

 

Leave a Reply